জানুয়ারি থেকে ই-ব্যাংকিং চালু করছে ডাক বিভাগ
২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং (ই-ব্যাংকিং) চালু করতে যাচ্ছে ডাক বিভাগ।
প্রথম পর্যায়ে পরীামুলক কুমিল্লা জেলার পোষ্ট অফিসগুলোতে এ কার্যক্রম চলবে।
পরবর্তী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এ কার্যক্রম দেশব্যাপি শুরু করা হবে। পর্যায়ক্রমে ই-মানি অর্ডার, পোষ্টাল ই-সেন্টার, ক্যাশ কার্ড সেবা এবং পোষ্ট সশও চালু করবে ডাক বিভাগ।
বুধবার সংসদ সচিবালয়ে ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে কমিটি সভাপতি হাসানুল হক ইনু এসব তথ্য জানান।
বৈঠকে এ নিয়ে তৈরি পোষ্ট অফিস এমেন্ডমেন্ট বিল-০৯ সংসদীয় কমিটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের মাধ্যমে সংসদে তা উত্থাপন করা হবে।
কমিটি সভাপতি বলেন, বিলে দুটি ধারা সংশোধন করা হচ্ছে। ১৮৯৮ সালের দীর্ঘ দিনের পুরোনো আইনের মাধ্যমে ডাক বিভাগ পরিচালিত হচ্ছে। যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রধান অন্তরায়।
পুরোনো এই আইনের ৪ নং ধারা এবং ৫৮ নং ধারা সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে। পুরোনো আইনটি সংশোধন করা না হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।
তিনি আরো বলেন, ৪ নং ধারা সংশোধন করে ডাক বিভাগকে ডিজিটালাইজড করা হবে। এর ফলে ডাক বিভাগ তার নিজস্ব জায়গা ভাড়া দিতে পারবে।
রেমিটেন্স আহরন, ই-ব্যাংকিং সার্ভিসসহ ডাক বিভাগে নতুন প্রযুক্তি চালু করা হবে। ৫৮ নং ধারা সংশোধন করে বাংলাদেশের বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিস গুলোকে আইনের আওতায় নিয়ে আশা হচ্ছে।
এটি সংশোধন করা হলে, কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকে লাইসেন্স দেওয়া হবে। এবং কুরিয়ার সার্ভিসগুলো প্রথমবার আইন ভঙ্গ করলে ৫০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয়বার আইন ভঙ্গ করলে দুই লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
তৃতীয়বার আইন ভঙ্গ করলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে । বর্তমানে দেশে ১০ হাজার পোষ্ট অফিস রয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হলে পোষ্টাল ক্যশকার্ডের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবে।
দেশের সাড়ে আট হাজার পোষ্ট অফিসে ই-সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এর জন্য যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই জন্য ডাক বিভাগের কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
মোবাইল এবং কম্পিউপারের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করা যাবে। এর কানেকটিভিটি সহযোগিতা করবে বাংলালিংক কোম্পানি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজি উদ্দিন আহমেদ, আ.স.ম. ফিরোজ, নজরুল ইসলাম বাবু , আব্দুল ওদুদ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং গোলাম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।


