বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি রোববার
আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ বলেছেন, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষর করবেন। আগামী ৩ জানুয়ারি আদালত খুললে ওই দিনই মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষর দেওয়া হবে। স্বাক্ষরের পর লাল খামে ভরে ওই পরোয়ানা পাঠানো হবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। আজ বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিদের মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষরের বিষয়ে আইনগত জটিলতা দেখা দিলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ দুপুর ১২টায় আইন মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক হয়।
আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমসহ সিনিয়র আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, গত ১৯ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হলেও শীতকালীন ছুটি থাকায় আদালত মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষর করতে পারেননি।
আসামিদের ফাঁসি কবে নাগাদ কার্যকর করা হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, জেল কোড অনুযায়ী মৃত্যু পরোয়ানা জারির দিন থেকে পরবর্তী ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে আসামিদের দণ্ড কার্যকর করা হয়।
১৯ নভেম্বর ঐতিহাসিক এই রায়ে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া কারাবন্দী পাঁচ আসামি বজলুল হুদা, মহিউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান এবং এ কে এম মহিউদ্দিনের আপিল খারিজ করে দিয়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। ইউএনবি।



