মন্তব্য প্রতিবেদন
মাহফুজ শামীম
ছয় ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। গত সোমবার ভোর থেকে টানা ছয় ঘণ্টার সহিংসতায় প্রক্টর, ছাত্রদল সভাপতি, পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটলেও পরে ছাত্রলীগও এতে অংশ নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার সময় প্রায় ২০টি গুলি ও আটটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। উভয় পক্ষ ইটপাটকেল, লাঠিসোটা, রড, চাপাতি, রামদা ও হকিস্টিক নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এ সময় কাউকে কাউকে পিস্তল হাতেও ছুটতে দেখা যায়। কিন্তু অস্ত্র হাতে এরা কারা? এরাই কী ছাত্রদল? এরা কেমন ছাত্র ? কী শেখে এরা ? আর যাই হোক না কেন এদের দিয়ে দেশ ও জাতি কোনও দিনও কোনো উপকার পাবে না । শুধু বিরোধী দল হিসেবে সরকারকে ঠেকানোর জন্য যে গুন্ডা বাহিনীকে খালেদা জিয়া ছাত্র নাম দিয়ে ছাত্রদলের নেতা বানালেন তার খেসারত একদিন তাকেই দিতে হবে। এ তো সবে শুরু। তবে আমরা শিক্ষাংগনে আর কোনো অস্ত্র দেখতে চাই না। ছাত্রের হাতে অস্ত্র দেখা গেলে তার দায়ভার খালেদাকেই নিতে হবে। কোনো মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের সাজানো বক্তব্য এ জাতি আর কখনই বিশ্বাস করবে না।
# সম্পাদক, নিউজ আওয়ারস বিডি


