Saturday 11th February 2012

আবহাওয়া: ঢাকা

আবছায়া 14°C আবছায়া
রবি পরিষ্কার
26/14
সোম পরিষ্কার
27/15
মঙ্গল পরিষ্কার
29/18
Follow NewsHoursBD on Twitter

বন্দিদশা কাটলো না সু চির

সামরিক জান্তার দেয়া শেষ ১৮ মাসের গৃহবন্দিত্ব আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী বিরোধীদলীয় নেত্রী অং সান সু চি। কিন্তু শুক্রবার সে আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিমকোর্ট। ৬৪ বছর বয়সী সু চি প্রায় ১৪ বছর ধরে গৃহবন্দি রয়েছেন। সু চির দল এনএলডি অবশ্য আগেই আশঙ্কা করেছিল, জান্তা সরকারের অঙ্গুলি হেলনে চলা আদালতের রায় তাদের পক্ষে নাও যেতে পারে। আপিল আবেদন খারিজের রায়ে হতাশা ব্যক্ত করেছে আমেরিকা, ইউরোপসহ দেশটিতে অবস্থিত পশ্চিমা কূটনীতিকরা। সূত্র : আল-জাজিরা, এএফপি, বিবিসি
মিয়ানমারে ১৯৯০ সালের নির্বাচনে ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) বিপুল জয়ে দলটির প্রধান অং সান সু চির হওয়ার কথা ছিল দেশটির প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু মিয়ানমারের সামরিক সরকার তার হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে না দিয়ে করে গৃহবন্দি। সেই শুরু। এরপর ২০ বছরে বিভিন্ন মেয়াদে ১৪ বছরই গৃহবন্দি বা কারাবন্দি হয়ে আছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সু চি। ২০০৯ সালের মে মাসে তার গৃহবন্দিত্বের আগের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার মুক্তির কয়েকদিন আগে জন ইয়েত্তা নামে এক আমেরিকান নাগরিক ইয়াঙ্গুনে লেক সাঁতরে এসে সু চির বাসভবনে তার সঙ্গে দেখা করেন। ওই আমেরিকান মিয়ানমারে কোনো আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন না।
বিষয়টিতে ‘গৃহবন্দিত্ব আদেশ লঙ্ঘন’ অভিযোগ তুলে সু চিকে বিচারের কাঠগড়ায় তোলে জান্তার আদালত। সু চিকে নিয়ে রাখা হয় ইয়াঙ্গুনের কুখ্যাত ইনসেইন কারাগারের ‘গেস্টহাউসে’। তিন মাসের বিচারে ২০০৯ সালের আগস্টে সু চির জেল হয় ১৮ মাস, আবারো হন গৃহবন্দি। এ দ-ের বিরুদ্ধেই নভেম্বরে আপিল করেন সু চি। তবে শুক্রবারের রায় ঘোষণার সময় সু চি আদালতে হাজির ছিলেন না।
আবেদন খারিজ হওয়ার পর সু চির আইনজীবী ও দলের প্রবীণ নেতা নিয়ান উইন সাংবাদিকদের বলেন, আবেদন খারিজ করা হয়েছে। কেন খারিজ করা হলো তা জানাননি আদালত।
আটকাদেশ চ্যালেঞ্জের সবশেষ উপায় হিসেবে মিয়ানমারের প্রধান বিচারপতির কাছে নতুন করে আবেদন করার ঘোষণা দেন এনএলডির মুখপাত্র নিয়ান। তিনি বলেন, আমরা নতুন একটি আবেদন করবো।
সু চির সঙ্গে তার দুই মহিলা সহকারীর একই মেয়াদে বর্ধিত আটকাদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনও খারিজ হয়ে যায়।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, বৃটেন ও ফ্রান্সের কূটনীতিকরা। বৃটিশ রাষ্ট্রদূত অ্যান্ড্রু হেইন বলেন, যদিও এ রায় কোনো বিস্ময় বয়ে আনেনি, তবু বিষয়টি হতাশাজনক। আমরা এখনো মনে করি, অন্য দুই হাজার বন্দির সঙ্গে সু চিকেও শিগগির মুক্তি দেয়া উচিত।
উল্লেখ্য, সু চির ১৮ মাসের গৃহবন্দিত্ব মেয়াদ আগামী নভেম্বর শেষ হবে। তখন আবার কোন বাহানায় তাকে আটক রাখা হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয় বলে মনে করছেন দেশটির ওপর সতর্ক নজর রাখা বিশ্লেষকরা।

৩ Responses to বন্দিদশা কাটলো না সু চির

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

সদ্য সংবাদ

আর্কাইভ

February 2010
M T W T F S S
« Jan   Mar »
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
NewsHoursBD