বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অভ্যন্তরে ধসে মারা গেছে এক শ্রমিক: চীনা শ্রমিকসহ আহত ৩৬
নিউজ আওয়াস বিডি: দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অভ্যন্তরে ধসের ঘটনা ঘটেছে। সুরঙ্গের ছাদ ধসে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছে এক শ্রমিক। সারাদিন উদ্ধার কাজ চালিয়ে আটকে পড়া ৩৬ জনকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এদের দু’জন চীনা শ্রমিক। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন। তাদের মধ্যে প্রায় ৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা মোহাম্মদ আলী লাদেনের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। সর্বশেষে আটককেপড়া চীনা শ্রমিক সুইংকে (৩৭) রাত সোয়া নয়টায় উদ্ধার করা হয়। তার অবস্থাও গুরুতর। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড়পুকুরিয়ার কয়লা খনির ১ হাজার ৭০০ ফুট নিচে ১১০৮ নং কূপে খনি শ্রমিকরা কয়লা আহরণের সময় বিকট শব্দে খনির ছাদ ধসে পড়ে। এ সময় আশপাশের এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হয়। ফলে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ধসের ঘটনায় খনিতে কর্তব্যরত শ্রমিকরা হতাহত হয়। কয়েকজন শ্রমিক লিফটের সাহায্যে দ্রুত উপরে উঠে দুর্ঘটনার খবর খনি কর্তৃপক্ষকে জানালে ঠিকাদারি চীনা প্রতিষ্ঠান এক্সএমসির কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশী প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের একটি উদ্ধারকারী দল খনি অভ্যন্তরে নেমে উদ্ধারকার্য শুরু করে। এরপর খনির ভেতর থেকে মৃত শ্রমিকের লাশসহ একে একে গুরুতর আহত ৩৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ২ জন চাইনিজ শ্রমিক রয়েছেন। আহতরা শ্রমিকরা হলেন খলিলপুর সরদারপাড়া গ্রামের আয়সার কাচুয়ার পুত্র নুর বখত (৩০), সুলতানপুর বড়তোয়া পাড়ার আজিজার রহমানের পুত্র আবদুর রাজ্জাক (৩৫), শেরপুর তেলীপাড়ার আলীর পুত্র মেহেদুল ওরফে মিদু (২৮), ষষ্ঠিপুর গ্রামের শহিরউদ্দিনের পুত্র গোলাম মোস্তফা (৩৫), খলিলপুর সরদারপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের পুত্র মানিক (৩২), বাটিকাঘাট গ্রামের মো. মহররম আলীর পুত্র রবিউল ইসলাম (২৭), পূর্ব ঢাকুয়া কামাতিখোপা গ্রামের নাজিরুজ্জামানের পুত্র গোলাম রব্বানি (২২), কাজীপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামান (৩৫), উত্তর বিষ্ণুপুর গ্রামের আবদুর রহিম (৩২), ধুলা উদান গ্রামের রাকিব (৩৪), হরিরামপুর গ্রামের খালেক (৩০), ধুলা উদান গ্রামের কুদ্দুস (৩৩), বাটিকাঘাট গ্রামের লিটন (২৮), একেই গ্রামের সাহাদাত হোসেন (৩২) এবং চীনা শ্রমিক মি. লিউ (৪০) ও মি. লিংক (৩৪)। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধারকারী দল খনির ভেতর থেকে রনজিত চন্দ্র রায়ের (৪০) লাশ উদ্ধার করে। মৃত শ্রমিকের বাড়ি পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কালিকাপুর কামারবাড়ী গ্রামে। বাবার নাম মৃত পঞ্চানন চন্দ্র রায়। এদিকে বিকাল ৩টায় উদ্ধারকারী দল আরেক দফা অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীর আলম ও রিয়াজুল ইসলাম নামে দ্ইু বাংলাদেশী শ্রমিককে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত শ্রমিকদের মধ্যে ১১ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৯ জনকে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ও বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি চাইনিজ মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। খনিসংলগ্ন এলাকা জিগাগারি পাতরাপাড়া, মৌপুকুর, পতিগ্রাম, কালুপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রচ- ভূকম্পন অনুভূত হলে গ্রামবাসীরা জীবন বাঁচাতে দিগি¦দিক ছোটাছুটি শুরু করেন। এর মধ্যে গুজব ছড়ায় খনির নিচে বিস্ফোরণে অনেক শ্রমিক হতাহত হয়েছে। ফলে শ্রমিকদের উৎকণ্ঠিত আত্মীয়-স্বজন কয়লা খনির গেটে অবস্থান নিয়ে স্বজনদের খোঁজ নেয়। এ সময় অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ফুলবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশী শ্রমিক আবদুর রাজ্জাক, লিটন, সাহাদাত হোসেন, মানিক জানান, সকাল ৬টার শিফটে ৩ জন চীনা ও ৩৬ জন বাংলাদেশী শ্রমিক ১১০৮ নং কূপে কয়লা আহরণের জন্য নামেন। লিফট পয়েন্টের ৮০০ মিটার দূরে কয়লা পরিবহন বেল্টের কাছে কাজ করার সময় বিকট শব্দে খনির ছাদ ধসে পড়ে। এ সময় প্রচ- ধুলাবালিতে সুড়ঙ্গপথ আছন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এরপর তাদের আর কিছু জানা নেই। উদ্ধারকারী দলের অন্যতম সদস্য বড়পুকুরিয়া শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম ও ওয়াজেদ আলী জানান, খনি কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা জানান, পুরাতন এঙ্গেল, কাঠ ও শাটার ব্যবহার করার কারণে লোড নিতে না পারায় ছাদ ধসে পড়ে। গত কয়েকদিন আগে কর্তব্যরত শ্রমিকরা বিষয়টি খনি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল। গত সোমবার খনি কর্তৃপক্ষের একটি দল ওই এলাকা পরিদর্শন করে শাটারিংয়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। কিন্তু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ায় এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির মহাব্যবস্থাপক এম এ মতিন জানান, কয়লা খনিতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেই থাকে। প্রায় ৪০ মিটার এলাকাজুড়ে ছাদ ধসে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, ১১১ জনের উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে তদন্ত কমিটি করে দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে। মহাব্যবস্থাপক (মাইনিং) মো. কামরুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনা কেন্দ্র ১১০৮ নং কূপের উপরে ১১১০ নং কূপ ও নিচে ১১০৬ নং কূপে এর আগে কয়লা আহরণ করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই মধ্যবর্তী ১১০৮ নং কূপে চাপ কম থাকার কারণে ছাদের শাটারিং ব্যবস্থা মজবুত ছিল না। এ কারণেই ছাদ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, গত ২৫ ফেব্র“য়ারি ১১০৮ নং কূপ থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। ওই কূপে মজুদ ২ লাখ টন কয়লার মধ্যে দুর্ঘটনার আগ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার টন কয়লা উত্তোলন করা সম্ভব হয়েছে। দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. সামশুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুজিব উল ফেরদৌস, সহকারী পুলিশ সুপার সনজিত কুমার সাহা বিকালে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে যান। নিউ
দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অভ্যন্তরে ধসের ঘটনা ঘটেছে। সুরঙ্গের ছাদ ধসে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছে এক শ্রমিক। সারাদিন উদ্ধার কাজ চালিয়ে আটকে পড়া ৩৬ জনকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এদের দু’জন চীনা শ্রমিক। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন। তাদের মধ্যে প্রায় ৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা মোহাম্মদ আলী লাদেনের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। সর্বশেষে আটককেপড়া চীনা শ্রমিক সুইংকে (৩৭) রাত সোয়া নয়টায় উদ্ধার করা হয়। তার অবস্থাও গুরুতর। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড়পুকুরিয়ার কয়লা খনির ১ হাজার ৭০০ ফুট নিচে ১১০৮ নং কূপে খনি শ্রমিকরা কয়লা আহরণের সময় বিকট শব্দে খনির ছাদ ধসে পড়ে। এ সময় আশপাশের এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হয়। ফলে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ধসের ঘটনায় খনিতে কর্তব্যরত শ্রমিকরা হতাহত হয়। কয়েকজন শ্রমিক লিফটের সাহায্যে দ্রুত উপরে উঠে দুর্ঘটনার খবর খনি কর্তৃপক্ষকে জানালে ঠিকাদারি চীনা প্রতিষ্ঠান এক্সএমসির কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশী প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের একটি উদ্ধারকারী দল খনি অভ্যন্তরে নেমে উদ্ধারকার্য শুরু করে। এরপর খনির ভেতর থেকে মৃত শ্রমিকের লাশসহ একে একে গুরুতর আহত ৩৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ২ জন চাইনিজ শ্রমিক রয়েছেন। আহতরা শ্রমিকরা হলেন খলিলপুর সরদারপাড়া গ্রামের আয়সার কাচুয়ার পুত্র নুর বখত (৩০), সুলতানপুর বড়তোয়া পাড়ার আজিজার রহমানের পুত্র আবদুর রাজ্জাক (৩৫), শেরপুর তেলীপাড়ার আলীর পুত্র মেহেদুল ওরফে মিদু (২৮), ষষ্ঠিপুর গ্রামের শহিরউদ্দিনের পুত্র গোলাম মোস্তফা (৩৫), খলিলপুর সরদারপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের পুত্র মানিক (৩২), বাটিকাঘাট গ্রামের মো. মহররম আলীর পুত্র রবিউল ইসলাম (২৭), পূর্ব ঢাকুয়া কামাতিখোপা গ্রামের নাজিরুজ্জামানের পুত্র গোলাম রব্বানি (২২), কাজীপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামান (৩৫), উত্তর বিষ্ণুপুর গ্রামের আবদুর রহিম (৩২), ধুলা উদান গ্রামের রাকিব (৩৪), হরিরামপুর গ্রামের খালেক (৩০), ধুলা উদান গ্রামের কুদ্দুস (৩৩), বাটিকাঘাট গ্রামের লিটন (২৮), একেই গ্রামের সাহাদাত হোসেন (৩২) এবং চীনা শ্রমিক মি. লিউ (৪০) ও মি. লিংক (৩৪)। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধারকারী দল খনির ভেতর থেকে রনজিত চন্দ্র রায়ের (৪০) লাশ উদ্ধার করে। মৃত শ্রমিকের বাড়ি পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কালিকাপুর কামারবাড়ী গ্রামে। বাবার নাম মৃত পঞ্চানন চন্দ্র রায়। এদিকে বিকাল ৩টায় উদ্ধারকারী দল আরেক দফা অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীর আলম ও রিয়াজুল ইসলাম নামে দ্ইু বাংলাদেশী শ্রমিককে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত শ্রমিকদের মধ্যে ১১ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৯ জনকে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ও বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি চাইনিজ মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। খনিসংলগ্ন এলাকা জিগাগারি পাতরাপাড়া, মৌপুকুর, পতিগ্রাম, কালুপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রচ- ভূকম্পন অনুভূত হলে গ্রামবাসীরা জীবন বাঁচাতে দিগি¦দিক ছোটাছুটি শুরু করেন। এর মধ্যে গুজব ছড়ায় খনির নিচে বিস্ফোরণে অনেক শ্রমিক হতাহত হয়েছে। ফলে শ্রমিকদের উৎকণ্ঠিত আত্মীয়-স্বজন কয়লা খনির গেটে অবস্থান নিয়ে স্বজনদের খোঁজ নেয়। এ সময় অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ফুলবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশী শ্রমিক আবদুর রাজ্জাক, লিটন, সাহাদাত হোসেন, মানিক জানান, সকাল ৬টার শিফটে ৩ জন চীনা ও ৩৬ জন বাংলাদেশী শ্রমিক ১১০৮ নং কূপে কয়লা আহরণের জন্য নামেন। লিফট পয়েন্টের ৮০০ মিটার দূরে কয়লা পরিবহন বেল্টের কাছে কাজ করার সময় বিকট শব্দে খনির ছাদ ধসে পড়ে। এ সময় প্রচ- ধুলাবালিতে সুড়ঙ্গপথ আছন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এরপর তাদের আর কিছু জানা নেই। উদ্ধারকারী দলের অন্যতম সদস্য বড়পুকুরিয়া শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম ও ওয়াজেদ আলী জানান, খনি কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা জানান, পুরাতন এঙ্গেল, কাঠ ও শাটার ব্যবহার করার কারণে লোড নিতে না পারায় ছাদ ধসে পড়ে। গত কয়েকদিন আগে কর্তব্যরত শ্রমিকরা বিষয়টি খনি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল। গত সোমবার খনি কর্তৃপক্ষের একটি দল ওই এলাকা পরিদর্শন করে শাটারিংয়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। কিন্তু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ায় এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির মহাব্যবস্থাপক এম এ মতিন জানান, কয়লা খনিতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেই থাকে। প্রায় ৪০ মিটার এলাকাজুড়ে ছাদ ধসে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, ১১১ জনের উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে তদন্ত কমিটি করে দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে। মহাব্যবস্থাপক (মাইনিং) মো. কামরুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনা কেন্দ্র ১১০৮ নং কূপের উপরে ১১১০ নং কূপ ও নিচে ১১০৬ নং কূপে এর আগে কয়লা আহরণ করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই মধ্যবর্তী ১১০৮ নং কূপে চাপ কম থাকার কারণে ছাদের শাটারিং ব্যবস্থা মজবুত ছিল না। এ কারণেই ছাদ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, গত ২৫ ফেব্র“য়ারি ১১০৮ নং কূপ থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। ওই কূপে মজুদ ২ লাখ টন কয়লার মধ্যে দুর্ঘটনার আগ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার টন কয়লা উত্তোলন করা সম্ভব হয়েছে। দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. সামশুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুজিব উল ফেরদৌস, সহকারী পুলিশ সুপার সনজিত কুমার সাহা বিকালে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে যান।


