Saturday 11th February 2012

আবহাওয়া: ঢাকা

আবছায়া 14°C আবছায়া
রবি পরিষ্কার
26/14
সোম পরিষ্কার
27/15
মঙ্গল পরিষ্কার
29/18
Follow NewsHoursBD on Twitter

সংকটে ছাত্রলীগ: উত্তরনে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন

নিউজ আওয়াস বিডি :
আধিপত্য বিস্তার, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের গ্রুপিং এবং সংঘাতের নেপথ্যে সাংগঠনিক দুর্বলতা, দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না থাকা, কয়েকজন দলীয় সংসদ সদস্যদের ইন্ধন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক শ্রেণীর শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ইন্ধন রয়েছে। তাদের ইন্ধনে সারাদেশে ছাত্রলীগের ব্যানারে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সংঘর্ষের ঘটনার সঙ্গে সারাদেশের ২ হাজারেরও বেশি নেতাকর্মী জড়িত রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থার জরিপে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
সূত্র জানায়, স্থানীয় সংসদ সদস্যরা নিজেদের দল ভারী করা এবং নিজ দলের প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য ছাত্রলীগের একটি গ্রুপকে সহযোগিতা করছে। অন্যদিকে শিক্ষকরা ক্যাম্পাসে ক্ষমতার বলয় তৈরির জন্য ছাত্রলীগের এক শ্রেণীর নেতাকে কাছে টেনে নিচ্ছেন। এমপি এবং শিক্ষকদের ইন্ধনে ছাত্রলীগের নেতারা সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পাস ও স্থানীয়ভাবে চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজি নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার এ রিপোর্ট জানার পর বর্তমানে আওয়ামী লীগের অনেক এমপি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের অনেক শিক্ষক সরাসরি ছাত্রলীগ নেতাদের এড়িয়ে চলছেন। কিন্তু গোপনে ছাত্রলীগের নিজস্ব গ্রুপকে ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এরই অংশ হিসেবে সাংগঠনিক শাখাগুলোর সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ১৯টি সাংগঠনিক শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গোলাম সারোয়ার কবীর জানিয়েছেন, এ বছরের জুনের মধ্যে সব ক’টি সাংগঠনিক শাখার কমিটি ঘোষণা করা হবে। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ইন্ধনদাতা দলীয় এমপি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ধারী শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণ না করলে ছাত্রলীগকেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন। আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির অনেক নেতা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে থাকা বিশেষ মহলের ইন্ধনের কারণেই ছাত্রলীগ বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। এ জন্য ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনে থাকা ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করতে হবে।
সূত্র আরও জানায়, সরকারদলীয় এমপিদের বৃহৎ একটি অংশ তৃণমূলের মনোয়নপ্রাপ্ত ৫ জনের একজন। তৃণমূল থেকে ৫ জনের নাম কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পৌঁছার পর একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার বাকি ৪ জনকে দলীয় রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় রাখার চেষ্টা করছে। যাতে আগামী নির্বাচনে তারা তৃণমূল থেকেও মনোনয়ন না পান। এ জন্য ওই ৪ জনের কাছের নেতাকর্মীদের শায়েস্তা করার জন্য এমপিরা ছাত্রলীগের একটি অংশকে সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছেন। এ কারণেই অধিকাংশ স্থানে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ হচ্ছে। এ বিষয়ে আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগের কর্মকা-ের জন্য সরকারের বদনাম হচ্ছে। ছাত্রলীগে কোনো মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত ছাত্রলীগ নামধারী নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবদুল মতিন খসরু। যেসব পুলিশ কর্মকর্তা তাদের গ্রেফতারে অপারগতা দেখাবে প্রয়োজনে তাদের বরখাস্তের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে সাংগঠনিক দুর্বলতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদুল হাসান রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার রোটনকে দায়ী করেছেন। তারা বলছেন, ২০০৪ সালে তারা দায়িত্ব নেয়ার পর সারাদেশের সাংগঠনিক শাখাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেননি। তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলন এবং নতুন কমিটি গঠনেরও উদ্যোগ নেননি। বর্তমানে সারাদেশে ছাত্রলীগের ৮৭টি সাংগঠনিক শাখার মধ্যে গত ৮ বছরে তারা গতকাল পর্যন্ত মাত্র ১৯টি শাখার কমিটি করেছেন। ছাত্রলীগের সর্বশেষ তৃণমূল সম্মেলন এবং কমিটি গঠিত হয় ২০০২ সালে। গত ৮ বছরে ছাত্রলীগে হাজার হাজার নেতাকর্মী তৈরি হয়েছে। তৈরি হয়েছে একাধিক নেতৃত্ব। কিন্তু তারা সাংগঠনিক ক্ষমতা পাচ্ছে না। অন্যদিকে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির নেতারা নতুন করে আধিপত্য বিস্তারের নেশায় নেমেছে। এ অবস্থায় তৃণমূল পর্যায়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নিয়ন্ত্রণ নেই। যার ফলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ বাধছে। তারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর রিপন ও রোটন দলীয় অফিসেও নিয়মিত যান না। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে সরকার যখন বিব্রত তখন একবারমাত্র সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকের মনিটরিং করেননি। গত বছর ছাত্রলীগের পল্টনের মিলনমেলায় সংঘর্ষের বিষয়ে যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল সে কমিটির রিপোর্ট আজ পর্যন্ত প্রকাশ হয়নি। ওই রিপোর্ট প্রকাশ করে বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিলে অন্য নেতাকর্মীরা সাবধান হতো। নিয়ন্ত্রণহীন ছাত্রলীগ আধিপত্য বিস্তার এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে নিজেরাই একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। কোথাও কোথাও বন্দুকযুদ্ধও করছে। গত বছর ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের কারণে দেশের ৫০টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছিল। এবার ছাত্রলীগের ভর্তি বাণিজ্যের কারণে সারাদেশে প্রায় ২ ডজন কলেজের ভর্তি কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়ে। এর বাইরে প্রতিদিনই কোনো না কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। বৈধ কমিটি না থাকায় জবাবদিহির অভাবে ছাত্রলীগ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগের হাই কমান্ডকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে বলেছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই পরিস্থিতি মোকাবিলার একমাত্র পথ। এ জন্য দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং শিক্ষাঙ্গনে সংঘর্ষের কারণ অনুসন্ধানের জন্য ২০০৯ সালের এপ্রিলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ। এর প্রায় ৮ মাস পরে এ বছরের জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের ৩ জন সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক, বিএম মোজাম্মেল হক এবং আহমেদ হোসেনকে ছাত্রলীগের কোন্দলের কারণ এবং তা সমাধানের কৌশল আবিষ্কারের দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা গত ৬ জানুয়ারি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ঢাকা মহানগর কমিটির সঙ্গে টানা ৫ ঘণ্টা বৈঠক করেন। নিজস্ব বলয় সৃষ্টিকারী ছাত্রলীগ নেতাদের তালিকা করার সিদ্ধান্ত নেন। ছাত্রলীগের এক শ্রেণীর নেতা নিজস্ব বলয় সৃষ্টির জন্য ছাত্রদল এবং ছাত্র শিবিরের সদস্যদেরও তাদের দলে ভিড়িয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত ছাত্রলীগ নেতাদের রেখে ছাত্রলীগ নামধারী ওইসব নেতাদের বের করে দেয়ার জন্য শুদ্ধি অভিযান চালানোরও সিদ্ধান্ত হয়। ছাত্রলীগে শিবিরসহ সুবিধাভোগীদের অনুপ্রবেশের কথা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামও স্বীকার করেছেন। সর্বশেষ সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ৬ শিবির নেতার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের ব্যানারে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে সরাসরি জড়িত সারা দেশে এমন ২ হাজারেরও বেশি নেতাকর্মীর নাম আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে রয়েছে বলে সূত্র জানায়। এসব নেতাদের অধিকাংশই স্থানীয় এমপির নিজস্ব বাহিনী হিসেবে অপকর্ম করেও রেহাই পেয়ে যাচ্ছে। এদিকে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় গ্রহণের পর সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং সংঘাত ঠেকাতে বর্তমান কমিটিকে সম্মেলনের প্রস্তুতির নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের ১৭ মাসে ছাত্রলীগ মাত্র ১৯টি সাংগঠনিক শাখার কমিটি করেছে। সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় কমিটির অভ্যন্তরীণ জটিলতার কারণে সাংগঠনিক শাখা কমিটি গঠনে বিলম্ব হচ্ছে। অনেক নেতা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় অফিসে নিয়মিত যান না। ফলে বিভিন্ন শাখা কমিটি এবং সারাদেশে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে সাংগঠনিক আলোচনাও হয় না।
সংগঠনের সহ-সভাপতি গোলাম সারোয়ার কবীর বলেন, আমরা সারাদেশের শিক্ষাঙ্গন কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। ১/১১-এর ২ বছর দেশে জরুরি অবস্থা এবং রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বে¡ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কমিটির সম্মেলন এবং নতুন কমিটি গঠন সম্ভব হয়নি। এখন আমরা সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করেছি। ৮৭টি সাংগঠনিক শাখার মধ্যে এ পর্যন্ত ১৯টির সম্মেলন হয়েছে। বাকিগুলো এ বছরের জুনের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা আছে।
অপরদিকে ছাত্রলীগের এ উদ্যোগও তেমন কোনো কাজে আসবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, সবার আগে এমপিতন্ত্র এবং রাজনৈতিক শিক্ষকদের কবল থেকে ছাত্রলীগকে মুক্ত করতে হবে। তারা যদি সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং টেন্ডারবাজ ছাত্রলীগ নেতাদের প্রশ্রয় না দেন তাহলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাত্র নামধারী ওই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।
এদিকে ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণ এবং সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপিরা। তারা বলছেন, ছাত্রলীগের নেতাদের মধ্যে রাজনীতির চেয়ে প্রতিষ্ঠা এবং অর্থলিপ্সা বেশি দেখা দিয়েছে। তাছাড়া মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি এবং সাংগঠনিক নিয়মিত কার্যক্রম না থাকায় বসে বসে গ্রুপিং করে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রথম কাজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কমিটিগুলোকে নিয়মিতকরণ। আর শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগকে যে সব শিক্ষক বা কর্তাব্যক্তিরা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চাচ্ছে তাদের নিবৃত করতে হবে। ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার উকিল মনে করেন ছাত্রলীগের সংঘর্ষ সংঘাতের জন্য বর্তমানের ছাত্রনেতারা একা দায়ী নয়। দীর্ঘদিনের জের টানছে তারা। বিশেষ করে গত ৭ বছর শিক্ষাঙ্গনে যে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি হয়েছে তারই ধারাবাহিক প্রভাব পড়েছে। এ জন্য শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতার নেপথ্যে অনেক বিষয় জড়িত। ছাত্রনেতারা ভর্তি বাণিজ্য করে। তাদের এই বাণিজ্যের সঙ্গে শিক্ষকরা সরাসরি জড়িত। নেতারা টেন্ডারবাজি করে। এর সঙ্গে ব্যবসায়ীরা সরাসরি জড়িত। একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালনা কমিটি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছাত্রনেতাদের প্রভাবশালী একটা অংশকে তাদের বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে চায় বলেই শিক্ষাঙ্গনে অনাকাক্সিক্ষত এসব ঘটনা ঘটছে। শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশ এবং ছাত্রলীগের সংকট সমাধানের জন্য এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

সদ্য সংবাদ

আর্কাইভ

May 2010
M T W T F S S
« Apr   Jun »
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
NewsHoursBD