এমপিও ভূকি্তর নতুন তালিকায় ১৪৮৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত
নিউজ আওয়ার বিডি রিপোট:
১৫ দিন যাচাই-বাছাই করার পর সোমবার এমপিওভুক্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনীতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন আহমেদ শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে তুলে দেন। নতুন তালিকায় ১৪৮৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে এবং পূর্বের তালিকা থেকে প্রায় ১০০ প্রতিষ্ঠান বাদ পড়েছে। তবে উপদেষ্টা এমপিওভুক্তি ১ মে থেকে কার্যকর এবং এমপিওভুক্তির নীতিমালার পরিশিষ্ট ‘ক’ (জনসংখ্যার প্রাপ্যতা) ধারাটি বাতিল করে তালিকা প্রকাশ করার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। এ নিয়ে গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক তোলপাড় হয়। কারণ এর আগে এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশের সময় বলা হয়েছিল ১ জানুয়ারি থেকে এমপিও কার্যকর করা হবে। কিন্তু উপদেষ্টা তার চিঠিতে ১ মে কার্যকর করার কথা বলায় এখন তাই করা হচ্ছে। নতুন তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করার জন্য গতকাল এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাজ চলছিল। মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আজ (গতকাল) রাতের মধ্যে এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশ করার জন্য কাজ করা চলছে। আশা করা যায় রাতের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করা হবে। তিনি আরো বলেন, উপদেষ্টার চিঠি মোতাবেক এমপিওভুক্তির নীতিমালার পরিশিষ্ট ‘ক’ (প্রাপ্যতা) ধারাটি স্থগিত করা হচ্ছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৪৮৩টি। পূর্বের তালিকায় এ সংখ্যা ছিলো ১০২২টি। প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৪৬১টি। ১৪৮৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ডিগ্রি কলেজ ১৮টি (আগের তালিকায়ও ছিল ১৮টি), ভোকেশনাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১২৯টি (আগের তালিকায় ছিল ১৫১ ), দাখিল মাদরাসা ২৪০টি (আগের তালিকায় ছিল ১৬৩টি) , আলিম মাদরাসা ৩০টি (আগের তালিকায় ছিল ২৭টি), ফাজিল মাদরাস ৮টি (আগের তালিকায় ছিল ৬টি)। ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ৭৮টি (আগে ছিল ৫০টি), এইচএসসি (বিজনেস ম্যানেজমেন্ট) কলেজ ১৩৯ (আগে ছিল ১৬১টি), জুনিয়র স্কুল ৫০১টি (আগে ছিল ২২৮টি), স্কুল এন্ড কলেজ ১৫টি (১৪টি), মাধ্যমিক স্কুল ৩২৫টি (২০৪টি)। এবার কঠোর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে এমপিওভুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে এমপিওভুক্তির তালিকা দেয়ার পরে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, নীতিমালা মেনেই পর্যালোচনা করে নতুন তালিকা দেয়া হয়েছে। তবে এমপিও নীতিমালার জনসংখ্যা ভিত্তিক প্রাপ্যতা অনুসরণ করার কারণেই এমপিও দেয়ার ক্ষেত্রে বিতর্ক উঠেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেয়ার সময়ই জনসংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হয়। এমপিও দেয়ার ক্ষেত্রে ফের এ বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া অযৌক্তিক। এটা তাদের ভুল নয়। দীর্ঘ দিন থেকেই বিষয়টি চলে আসছে। নীতিমালা থেকে এ বিষয়টি বাদ দেয়ার সুপারিশ করেছি। আমরা যে তালিকা করেছি তাতে দেশের প্রত্যেকটি জেলাকে সমভাবে বিবেচনায় এনেছি। আগের তালিকা থেকে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশি বাদ দেয়ার বিষয়ে বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই ভুয়া। তাদের অবকাঠামোগত কোনো সুবিধা নেই। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণ, সাংসদ, মন্ত্রীরা অভিযোগ জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা খবরাখবর নিয়ে তারপর বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ৭ হাজার আবেদনের মধ্যে ২ হাজারের মতো প্রতিষ্ঠান এমপিও প্রাপ্তির সকল শর্তাবলী পূরণ করেছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ৭ মে প্রকাশিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত নতুন এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা। তালিকা প্রকাশের পরপরই ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়। বলা হয়- আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপিদের তদবির করা কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিও পাননি। বিএনপি-জামায়াত নেতাদের গড়া প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেয়া হয়েছে, এমনকি এমপিও প্রদানে নীতিমালা মানা হয়নি বলেও অভিযোগ তোলা হয়। পরে ১০ মে মন্ত্রী পরিষদের সভায়ও প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকি সেখানে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের তোপের মুখে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রী পরিষদের সভায় এমপিও তালিকা ফের যাচাই-বাছাই করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী ও উপদেষ্টা আলাউদ্দিন আহমেদকে দায়িত্ব দেন। প্রথমে শিক্ষামন্ত্রীর তালিকা পর্যালোচনার কাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে গত ১৬ মে শিক্ষামন্ত্রী পুরো দায়িত্ব আলাউদ্দিনের হাতে তুলে দেন। ১৭ মে শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টাকে ৭ দিনের মধ্যে এমপিওভুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করে তা মন্ত্রণালয়েকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানান। চলতি অর্থবছরে এমপিওভুক্তির জন্য অর্থমন্ত্রণালয় ১১২ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিলো। নি
১৫ দিন যাচাই-বাছাই করার পর সোমবার এমপিওভুক্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনীতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন আহমেদ শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে তুলে দেন। নতুন তালিকায় ১৪৮৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে এবং পূর্বের তালিকা থেকে প্রায় ১০০ প্রতিষ্ঠান বাদ পড়েছে। তবে উপদেষ্টা এমপিওভুক্তি ১ মে থেকে কার্যকর এবং এমপিওভুক্তির নীতিমালার পরিশিষ্ট ‘ক’ (জনসংখ্যার প্রাপ্যতা) ধারাটি বাতিল করে তালিকা প্রকাশ করার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। এ নিয়ে গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক তোলপাড় হয়। কারণ এর আগে এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশের সময় বলা হয়েছিল ১ জানুয়ারি থেকে এমপিও কার্যকর করা হবে। কিন্তু উপদেষ্টা তার চিঠিতে ১ মে কার্যকর করার কথা বলায় এখন তাই করা হচ্ছে। নতুন তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করার জন্য গতকাল এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাজ চলছিল। মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আজ (গতকাল) রাতের মধ্যে এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশ করার জন্য কাজ করা চলছে। আশা করা যায় রাতের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করা হবে। তিনি আরো বলেন, উপদেষ্টার চিঠি মোতাবেক এমপিওভুক্তির নীতিমালার পরিশিষ্ট ‘ক’ (প্রাপ্যতা) ধারাটি স্থগিত করা হচ্ছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৪৮৩টি। পূর্বের তালিকায় এ সংখ্যা ছিলো ১০২২টি। প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৪৬১টি। ১৪৮৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ডিগ্রি কলেজ ১৮টি (আগের তালিকায়ও ছিল ১৮টি), ভোকেশনাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১২৯টি (আগের তালিকায় ছিল ১৫১ ), দাখিল মাদরাসা ২৪০টি (আগের তালিকায় ছিল ১৬৩টি) , আলিম মাদরাসা ৩০টি (আগের তালিকায় ছিল ২৭টি), ফাজিল মাদরাস ৮টি (আগের তালিকায় ছিল ৬টি)। ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ৭৮টি (আগে ছিল ৫০টি), এইচএসসি (বিজনেস ম্যানেজমেন্ট) কলেজ ১৩৯ (আগে ছিল ১৬১টি), জুনিয়র স্কুল ৫০১টি (আগে ছিল ২২৮টি), স্কুল এন্ড কলেজ ১৫টি (১৪টি), মাধ্যমিক স্কুল ৩২৫টি (২০৪টি)। এবার কঠোর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে এমপিওভুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে এমপিওভুক্তির তালিকা দেয়ার পরে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, নীতিমালা মেনেই পর্যালোচনা করে নতুন তালিকা দেয়া হয়েছে। তবে এমপিও নীতিমালার জনসংখ্যা ভিত্তিক প্রাপ্যতা অনুসরণ করার কারণেই এমপিও দেয়ার ক্ষেত্রে বিতর্ক উঠেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেয়ার সময়ই জনসংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হয়। এমপিও দেয়ার ক্ষেত্রে ফের এ বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া অযৌক্তিক। এটা তাদের ভুল নয়। দীর্ঘ দিন থেকেই বিষয়টি চলে আসছে। নীতিমালা থেকে এ বিষয়টি বাদ দেয়ার সুপারিশ করেছি। আমরা যে তালিকা করেছি তাতে দেশের প্রত্যেকটি জেলাকে সমভাবে বিবেচনায় এনেছি। আগের তালিকা থেকে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশি বাদ দেয়ার বিষয়ে বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই ভুয়া। তাদের অবকাঠামোগত কোনো সুবিধা নেই। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণ, সাংসদ, মন্ত্রীরা অভিযোগ জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা খবরাখবর নিয়ে তারপর বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ৭ হাজার আবেদনের মধ্যে ২ হাজারের মতো প্রতিষ্ঠান এমপিও প্রাপ্তির সকল শর্তাবলী পূরণ করেছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ৭ মে প্রকাশিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত নতুন এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা। তালিকা প্রকাশের পরপরই ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়। বলা হয়- আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপিদের তদবির করা কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিও পাননি। বিএনপি-জামায়াত নেতাদের গড়া প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেয়া হয়েছে, এমনকি এমপিও প্রদানে নীতিমালা মানা হয়নি বলেও অভিযোগ তোলা হয়। পরে ১০ মে মন্ত্রী পরিষদের সভায়ও প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকি সেখানে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের তোপের মুখে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রী পরিষদের সভায় এমপিও তালিকা ফের যাচাই-বাছাই করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী ও উপদেষ্টা আলাউদ্দিন আহমেদকে দায়িত্ব দেন। প্রথমে শিক্ষামন্ত্রীর তালিকা পর্যালোচনার কাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে গত ১৬ মে শিক্ষামন্ত্রী পুরো দায়িত্ব আলাউদ্দিনের হাতে তুলে দেন। ১৭ মে শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টাকে ৭ দিনের মধ্যে এমপিওভুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রণয়ন করে তা মন্ত্রণালয়েকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানান। চলতি অর্থবছরে এমপিওভুক্তির জন্য অর্থমন্ত্রণালয় ১১২ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিলো।


