বাজেটে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজে ১০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ থাকবে: পূর্ণাঙ্গ মানবাধিকার কমিশন গঠন এ মাসেই
নিউজ আওয়াস বিডি রিপোট:
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, একজন চেয়ারম্যান এবং অনধিক ৬ সদস্য নিয়ে এ মাসেই পূর্ণাঙ্গ মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হবে। মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের মধ্যে একজন স্থায়ী এবং বাকিরা অস্থায়ী সদস্য হিসেবে থাকবেন। জাতীয় সংসদের স্পিকারের নেতৃত্বে একটি কমিটি এ কমিশন গঠনের ব্যাপারে কাজ করছে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তার অফিস কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
উল্লেখ্য, বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী বর্তমান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োজিত আছেন। আগামী ২০ জুন তিনি অবসরে যাবেন। তার অবসরের মধ্যে দিয়েই এ কমিশনের কাজ শুরু হবে।
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ গত ২৯ মে থেকে ৫ জুন উগান্ডার রাজধানী কামপালায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সংক্রান্ত রিভিউ সম্মেলনে যোগ দেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সংক্রান্ত সম্মেলনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কি কি তথ্য-উপাত্ত উত্থাপন করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এটি ছিল রিভিউ কনফারেন্স অফ দ্যা রুম স্টেট অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট। এখানে ১১১টি রাষ্ট্রের ২ হাজার ডেলিগেট এবং বিভিন্ন অরগানাইজেশনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আমি সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন হত্যা, লুণ্ঠন, মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ যেসব অপরাধ সংগঠিত হয়েছে সে ব্যাপারে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছি। প্রতিটি দেশই বাংলাদেশের এ বিচার প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৬ সালে যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশের পক্ষে আমি সেখানে এসব কথা তুলে ধরেছি। প্রতিটি দেশ চায় বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক।
কবে নাগাদ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শেষ হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত চলছে। আগামি বাজেটে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজে ১০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ থাকবে।
ন্যায়পাল নিয়োগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। এটি এখন প্রক্রিয়াধীন।
এর আগে সুইডেনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ব্রিড এফ হ্যাগস্ট্রমের সাথে মন্ত্রী বিদায়ী সাক্ষাৎ দেন। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সুইডেনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত সাক্ষাতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে।নিউ
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, একজন চেয়ারম্যান এবং অনধিক ৬ সদস্য নিয়ে এ মাসেই পূর্ণাঙ্গ মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হবে। মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের মধ্যে একজন স্থায়ী এবং বাকিরা অস্থায়ী সদস্য হিসেবে থাকবেন। জাতীয় সংসদের স্পিকারের নেতৃত্বে একটি কমিটি এ কমিশন গঠনের ব্যাপারে কাজ করছে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তার অফিস কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
উল্লেখ্য, বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী বর্তমান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োজিত আছেন। আগামী ২০ জুন তিনি অবসরে যাবেন। তার অবসরের মধ্যে দিয়েই এ কমিশনের কাজ শুরু হবে।
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ গত ২৯ মে থেকে ৫ জুন উগান্ডার রাজধানী কামপালায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সংক্রান্ত রিভিউ সম্মেলনে যোগ দেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সংক্রান্ত সম্মেলনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কি কি তথ্য-উপাত্ত উত্থাপন করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এটি ছিল রিভিউ কনফারেন্স অফ দ্যা রুম স্টেট অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট। এখানে ১১১টি রাষ্ট্রের ২ হাজার ডেলিগেট এবং বিভিন্ন অরগানাইজেশনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আমি সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন হত্যা, লুণ্ঠন, মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ যেসব অপরাধ সংগঠিত হয়েছে সে ব্যাপারে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছি। প্রতিটি দেশই বাংলাদেশের এ বিচার প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৬ সালে যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশের পক্ষে আমি সেখানে এসব কথা তুলে ধরেছি। প্রতিটি দেশ চায় বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক।
কবে নাগাদ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শেষ হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত চলছে। আগামি বাজেটে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজে ১০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ থাকবে।
ন্যায়পাল নিয়োগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। এটি এখন প্রক্রিয়াধীন।
এর আগে সুইডেনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ব্রিড এফ হ্যাগস্ট্রমের সাথে মন্ত্রী বিদায়ী সাক্ষাৎ দেন। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সুইডেনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত সাক্ষাতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে।



