দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমদুর রহমানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড
স্টাফ রিপোর্টার:
আদালত অবমাননার মামলায় দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমদুর রহমানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আপিল বিভাগ।
এছাড়াও তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ আদালত অবমাননায় দায়ে তাকে দোষী সাবস্ত্য করে এ রায় দেয়।
রায় ঘোষণা উপলক্ষে মাহমুদুর রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
রায়ে আমার দেশের প্রতিবেদক ওলিউল্লাহ নোমানকে এক মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পত্রিকাটির প্রকাশক হাসমত আলীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালত পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক মোস্তাহিদ ফারুকী ও উপ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার অবেদন গ্রহণ করে তাদেরকে আদালত অবমাননান দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
বুধবার আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করে আদালত।
গত ২১ এপ্রিল ‘চেম্বার মানেই সরকার পক্ষে স্টে’ শিরোনামে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।
এরপর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রিয়াজউদ্দিন খান ও কাজী মইনুল হাসান আদালতে অবমাননার আবেদন জানালে আদালত ২ জুন মাহমুদুরের বিরুদ্ধে রুল জারি।
মঙ্গলবার মাহমুদুর রহমান ও হাসমত আলীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আরো একটি রুল জারি করে আপিল বিভাগ।
আইনজীবী রিয়াজউদ্দিন খান ও কাজী মইনুল হাসানই অভিযোগটি দায়ের করেন।
চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব মোসাদ্দেক আলী ফালুর ভাই হাশমত আলীকে প্রকাশক করে ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।
২০০৮ সালে সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান আমার দেশ পত্রিকাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেন। এরপর পত্রিকাটির সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তিনি জেলা প্রকাশককে চিঠি দেন। সে সময় থেকেই পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন তিনি।
প্রকাশনা বন্ধ করার পরদিন ২ জুন ভোররাতে আমার দেশ কার্যালয় থেকে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগের দিন হাশমত আলী তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মাহমুদুর রহমানের বিরেুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন মাহমুদুর। দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমদুর রহমানকে আদালত অবমাননার মামলায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আপিল বিভাগ।
পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ আদালত অবমাননায় দায়ে তাকে দোষী সাবস্ত্য করে এ রায় দেয়।
রায় ঘোষণা উপলক্ষে মাহমুদুর রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
রায়ে আমার দেশের প্রতিবেদক ওলিউল্লাহ নোমানকে এক মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পত্রিকাটির প্রকাশক হাসমত আলীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালত পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক মোস্তাহিদ ফারুকী ও উপ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার অবেদন গ্রহণ করে তাদেরকে আদালত অবমাননান দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
বুধবার আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করে আদালত।
গত ২১ এপ্রিল ‘চেম্বার মানেই সরকার পক্ষে স্টে’ শিরোনামে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।
এরপর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রিয়াজউদ্দিন খান ও কাজী মইনুল হাসান আদালতে অবমাননার আবেদন জানালে আদালত ২ জুন মাহমুদুরের বিরুদ্ধে রুল জারি।
মঙ্গলবার মাহমুদুর রহমান ও হাসমত আলীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আরো একটি রুল জারি করে আপিল বিভাগ।
আইনজীবী রিয়াজউদ্দিন খান ও কাজী মইনুল হাসানই অভিযোগটি দায়ের করেন।
চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব মোসাদ্দেক আলী ফালুর ভাই হাশমত আলীকে প্রকাশক করে ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।
২০০৮ সালে সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান আমার দেশ পত্রিকাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেন। এরপর পত্রিকাটির সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তিনি জেলা প্রকাশককে চিঠি দেন। সে সময় থেকেই পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন তিনি।
প্রকাশনা বন্ধ করার পরদিন ২ জুন ভোররাতে আমার দেশ কার্যালয় থেকে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগের দিন হাশমত আলী তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন মাহমুদুর।


