দুর্নীতির আখড়া সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশন : প্রতি মাসে বনজীবীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাদাঁ আদায় # মাসিক ব্যয় আড়াইলাখ টাকা : খুলনার বিশেষ আদালতে বিচারক ও বিচার নেই
কাজী তারিক আহমদ, খুলনা, ২২ আগষ্ট ২০১১:
দুর্নীতির আখড়া সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশন : প্রতি মাসে বনজীবীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাদাঁ আদায়
খুলনা প্রতিনিধি : সুন্দরবনের খুলনা রেঞ্জের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। ষ্টেশন কর্মকর্তাসহ কয়েকজন ফরেস্ট গার্ডের বিরুদ্ধে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাদাঁ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাধারন বনজীবীরা জানিয়েছেন, প্রকাশ্যে তাদের কাছ পারমিট, বিএলসি নবায়ন, সিডি পাশ প্রভৃতি খাত থেকে জোরপূর্বক চাদাঁ আদায় করা হচ্ছে। দাবিকৃত চাদাঁ না দিলে সুন্দরবনে প্রবেশে বাধা দেয়াসহ নানাভাবে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে।
সুত্র জানায়, বছর খানেক আগে কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশনে শহিদুল ইসলাম ষ্টেশন অফিসার হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি সুন্দরবনের কৈখালি ষ্টেশনে কর্মরত থাকাকালে তার বিরুদ্ধে বনজীবীদের কাছ থেকে ব্যাপক চাদাঁবাজির অভিযোগ উঠেছিল। ওই সময় তাকে চাকুরী থেকে সাময়িকভাবে বরখান্তও করা হয় বলেও জানা গেছে। কাশিয়াবাদ ষ্টেশনে যোগদানের পর তিনি ষ্টেশনে নিজস্ব একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। বিভিন্ন পাশ ও পারমিট দেয়ার নামে তিনি ও তার সহযোগীরা অতিরিক্ত অর্থ আদায় শুরু করে দেন। বনজীবীদের ভাষ্যমতে এ ষ্টেশনে প্রতিমাসে বনজীবীদের কাছ থেকে কমপে ৫ ল টাকা আদায় করা হচ্ছে। শোনা গেছে, আদায়কৃত অর্থের একটি ভাগ কতিপয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ রাখা হয়। বিষয়টি একাধিকবার উর্ধ্বতন কর্তৃপকে জানিয়ে কোনো লাভ হয়নি।
বনজীবীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত একাধিক অভিযোগে জানা গেছে, ষ্টেশন অফিসার শহিদুল ইসলাম এর পে দুই ফরেস্ট গার্ড আবুল কালাম আজাদ ও সানা রঞ্জন পাল সুন্দরবন থেকে আসা বনজীবীদের ট্রলার থামিয়ে জেলে প্রতি ২শ থেকে ৩শ’ টাকা আদায় করছে। এভাবে প্রতি গোনে ১০ থেকে ১৫ টি ট্রলারে ২ শতাধিক জেলের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে প্রায় ৬০/৭০ হাজার টাকা।
এ হিসাবে মাসে দুটি গোনে আদায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ল টাকা। এ ছাড়া বিএলসি বা যার বুনিয়াদে বনে প্রবেশাধিকার দেয়া হয় তা নবায়নের ফি ১০ থেকে ১২ টাকা হলেও এ চক্র আদায় করছে ২ থেকে ৩শ’ টাকা। প্রায় ৮শ বিএলসি বছরে এ ষ্টেশনে নবায়ন করা হয়। নবায়ন বাবদ অবৈধ ভাবে আদায় করা হচ্ছে দেড় লাধিক টাকা। ট্রলার প্রতি ৭ দিনের জন্য সিডিপাশ বা অনুমতিপত্র দিতে নেয়া হয় ১ হাজার ৮শ’ টাকা। ট্রলার মালিকদের কাছ থেকে এ পরিমান টাকা নিয়ে রিসিট দেয়া হয় ৫শ’ টাকার। মাসে দুটি গোনে এভাবে ট্ররঅর প্রতি অবৈধভাবে নেয়া হয় ২ হাজার ৬শ’ টাকা। ১৫ ট্রলারে নেয়া হয় ৩৯ হাজার টাকা। ১৭৬ টাকার পারমিট ইস্যু করতে নেয়া হয় ২৯১ টাকা।
গত ১৯ আগষ্ট রাতে কয়রা ৪ নং লঞ্চঘাটে কাশিয়াবাদ ষ্টেশনের বনরীরা বন ফেরত কয়েকটি ট্রলার ও এর শতাধিক জেলেকে আটক করে ষ্টেশনে নিয়ে যায়। সারা রাত তাদের আটকে রেখে জনপ্রতি ৩০০ টাকা আদায় করে পরদিন ভোরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে ষ্টেশন অফিসার শহিদুল ইসলাম জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। বিভিন্ন মহল আক্রোশের বশবর্তী হয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। ইতোপূর্বে বিভিন্ন ষ্টেশনে তিনি সুনামের সাথে কাজ করেছেন।
সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশনের আওতাধীন বনজীবীরা অবিলম্বে সরকার নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। বনজীবীদের দাবি, যথাযথ তদন্ত হলে ষ্টেশন অফিসার ও তার সহযোগীদের লাগামহীন দুর্ণীতির প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে। ###
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ : খুলনায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুক্তা ও তার সহযোগীরা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ফসলী জমি দখল করেছে
খুলনা প্রতিনিধি : খুলনা সিটি কর্পোরেশনে ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন মুক্তা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ফসলী জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে প্রেস কাব খুলনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামের মৃত. বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ হাবিবুল্লাহ’র স্ত্রী হাসিনা বেগম অভিযোগ করেন, তিনি স্বামীর মৃত্যুর পর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত বটিয়াঘাটার মাথাভাঙ্গা মৌজার (জেএলনং-১২, আরএস খতিয়ান নং-৩৭৪, দেওয়াড়া) ২৯৯৭, ৩০২৫ ও ৩০৩১ নং দাগের মোট ৩ দশমিক ২২ শতক জমিতে ফসল চাষ করে খেয়ে-পরে জীবন-যাপন করছিলেন।
কিন্তু আদালতের নির্দেশ অমান্য করে প্রতিপ সন্ত্রাসীরা গত ২১ আগষ্ট চাষকৃত জমিটুকু দখল করে নেয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন মুক্তার ইন্দনে ইলাইপুরের মোহাম্মদ আলী ও শরীফ ফকির, হাবি ফকির, লবনচরা ভেড়ীবাঁধ এলাকার ডা. হেমায়েত, আজাদ, এবং বটিয়াঘাটার মাথাভাঙ্গা এলাকার হযরত, হাসমত ও হাফিজুলসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ৩০/৪০ জন সন্ত্রাসী এ দখলবাজীতে অংশ নেয়। তারা চাষকৃত জমিতে জোর পূর্বক প্রবেশ করে সেখানে ধানের চারা রোপন করে।
এ সময় আমার বড় ছেলে স.ম হাসিবুর রহমান বাঁধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে মারতে উদ্যত হয় এবং জীবন নাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ওই দিনই উল্লিখিত সন্ত্রাসীদের নাম উল্লেখ করে বটিয়াঘাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দখলকারী দলের সদস্য মোহাম্মদ আলী আমার জমিতে তার অংশ আছে- মর্মে দাবি করে ২০০৯ সালে খুলনার সাবজজ-৩’র আদালতে একটি বাটোয়ারা মামলা দায়ের করে। এ বিষয় নিয়ে তার সাথে সমঝোতা হলে সে এই মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু প্রত্যাহার না করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সে তার নামে একটি সোলেনামা করে নেয়। আমরা এ ঘটনা জানতে পেরে একই আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করি। এছাড়া আমাদের আবেদনের প্রেেিত আদালত গত ২৩ জুন মোহাম্মদ আলীর সোলেনামার সকল কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ দেন। এ অবস্থার মধ্যেই আদালতের নির্দেশ অমান্য করে তারা জমি দখল করে নিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী বিষ্ময় প্রকাশ করে বলেন, একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর কিভাবে একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি দখলে সন্ত্রাসীদের সহযোগীতা করতে পারে- তা আমার বোধগম্য নয়। তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের শেষ সম্বল জমিটুকু ফেরত পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সরকার ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপরে হস্তপে কামনা করেন। এ সময় তার বড় ছেলে স.ম হাসিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। ###
মাসিক ব্যয় আড়াইলাখ টাকা : খুলনার বিশেষ আদালতে বিচারক ও বিচার নেই
কাজী তারিক আহমদ, খুলনা : খুন, ডাকাতি ও আত্মসাত মামলার বিচার হচ্ছে না। আসামি জামিন পাচ্ছে না, বাদী বিচারও পাচ্ছে না। মাসের পর মাস বিচার প্রার্থীরা আদালতের বারান্দায় হাজিরা দিচ্ছে। খুলনার এ কোর্টের নাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত। এখানে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায় ৫শ’। এ আদালতে সরকারী আইনজীবীর সম্মানী ও কর্মচারির বেতন বাবদ সরকারকে গুনতে হচ্ছে মাসে আড়াই লাখ টাকা।
আদালতের সাথে সংশিষ্ট সূত্র জানান, বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে ৪১১টি ফৌজধারী মামলা এবং ৬৬টি দেওয়ানী মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ সব মামলার মধ্যে রয়েছে খুন, ডাকাতি ও সরকারী সম্পদ আত্মসাত।
এসব মামলার সাথে সংশিষ্ট উলেখযোগ্য বাক্তিরা হচ্ছেন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, খুলনার সাবেক মেয়র শেখ তৈয়েবুর রহমান, সাতীরা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম, মংলা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল জলিল, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোঃ লিয়াকত আলী শরিফ, এ দশকের খুলনার আলোচিত মাফিয়া ডন এরশাদ শিকদারের সহযোগী ল, ম লিয়াকত আলী ও জামাই ফারুক প্রমুখ। জাপা নেতা রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে বরিশাল টেক্সটাইল মিলের ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র তৈয়েবুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত ও দুর্ণীতির মামলা রয়েছে।
রাজনৈতিক হয়রানীমূলক মামলার বিবেচনায় এ আত্মসাত মামলা প্রত্যাহারের জন্য জাপা নেতা বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন পাঠায়। গত বছর বরিশাল জেলা প্রশাসক পিপির সুপারিশ সাপেে এ মামলা প্রত্যাহারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠায়।
আদালতের সূত্র জানান, এ বছরের ১ ফেব্র“য়ারি বিভাগীয় স্পেশাল জজ মোঃ আফতাব উদ্দিনের অবসরে যাওয়ার মধ্যে দিয়ে বিচারকের এই পদটি শূণ্য হয়। ত্রে বিশেষ জেলা জজ আদালতেই স্পেশাল জজ আদালতের কয়েকটি মামলার জামিনের শুনানী হয় মাত্র। এ সূত্র মতে, গতকাল ১২টি, বুধবার ১৫টি এবং গত মঙ্গলবার ১৩টি মামলার বিচার প্রার্থীরা যথারীতি আদালতে হাজিরা দেয়।
জেলা ও দায়রা জজ জি এম সালাউদ্দিন এ প্রতিবেদককে জানান, এ আদালতে বিচারকের পদ শূন্য বিষয়টি সংশিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানা রয়েছে। শূন্য পদের বিষয়টি জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে মন্ত্রণালয়ে জানানোর কোন নিয়ম নেই। তিনি বলেন, স্থানীয় জন নিরাপত্তা ট্রাইব্যুানাল বিচারকের পদও শূণ্য। স্পেশাল জজ আদালতের বিচার প্রার্থীরা দৈনন্দিন হাজিরা দিয়ে যাচ্ছে। স্পেশাল জজ আদালতের কিছু কিছু জরুরী বিষয়ে ও জামিনের শুনানী তাকে করতে হয়।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলর সদস্য আইনজীবী আব্দুল মালেক জানান, বাগেরহাট ও যশোর থেকে আগত বিচার প্রার্থীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছে। অনেক েেত্র ডাকাতি ও আত্মসাত মামলার আসামিদের পে সুনির্দিষ্ট যুক্তি থাকা সত্বেও বিচারকের অভাবে এ সংকট নিরসন হচ্ছে না। কারাবন্দীদের জামিন পেতে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নিতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। তিনি স্পেশাল জজ আদালত ও জন নিরাপত্তা ট্রাইব্যুনালে অবিলম্বে বিচারকের নিয়োগে দাবি জানান।
এই আদালতের সরকারী কৌশলী আনোয়ারা মমতাজ আন্না এ প্রতিবেদককে জানান, বিচারকের অভাবে এ আদালতের মামলার জট পেকে গেছে। বিচারক না থাকায় বাদী ও বিবাদী কোন পই বিচার পাচ্ছে না। ফলে ঊভয়কেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দণিাঞ্চলের বিচার প্রার্থীদের স্বার্থে তিনি অবিলম্বে এ আদালতে বিচারক নিয়োগের দাবি জানান।
আদালত সূত্র উলেখ করেছেন, স্পেশাল জজ আদালতে ১২ জন কর্মচারি, দুদকের ৩ জন আইনজীবী এবং সরকারী ২ জন আইনজীবীর মাসিক বেতন ভাতা সরকারকে আড়াই লাখ টাকা গুনতে হচ্ছে। ##
খুলনায় সাংবাদিক বাবলুর উপর হামলায় এমইউজে’র নিন্দা
খুলনা প্রতিনিধি : মেট্রেপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা [এমইউজে ] এর সদস্য দৈনিক প্রবাহের মফস্বল সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু ও তার ভাই জাহিদুল ইসলাম ডাবিউ এর উপর রুপসার এলাইপুরে চিিহ্নত সন্ত্রাসীদের হামলার তীব্র নিন্দা ও বিক্ষোভে প্রকাশ করেছেন এমইউজের সভাপতি মো: আনিসুজ্জামান ও সাধারন সম্পাদক হাসান আহমেদ মোলা ।
এমইউজে নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে অন্তরায় বলে উলেখ করেছেন।
তারা চিিহ্নত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন। ###
খুলনায় পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
খুলনা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির উদ্যোগে খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গত রোববার অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির বিভাগীয় কমিটির মহাসচিব ইলিয়াস হোসেন সোহেল।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আলোচনা করেন কমিটির বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও দৈনিক ইনকিলাবের খুলনা ব্যুরো প্রধান আবু হেনা মুক্তি।
এছাড়া বিশেষ অতিথির আলোচনা করেন কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড: জি এম কামরুজ্জামান । অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো: আজগর হোসেন, মো: মুসা, মো: জাকির হোসেন, মো: আবুল হোসেন, মো: সুমন, মো: আইনুল হক, মো: বেলাল, মো: জুলু, মো: বাবুল, জুবায়ের মোলা, মোলা রাশেদ, আ: মান্নান, প্রমুখ। ###


