বিজ্ঞাপন
আর্কাইভ
আবহাওয়া: ঢাকা



Added on জানুয়ারী ৩, ২০১০
আজ বঙ্গবন্ধু খুনিদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি হয়েছে।
চলতি মাসেই কারাবন্দি পাঁচ খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে বলে আইনজীবীরা বলছেন। নতুন বছরের শুরুতে খুনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।
ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আবদুল গফুর আজ রোববার দুপুরে মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষর করেন।এরপর লাল খামে পুরে ওই পরোয়ানা পাঠানো হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে; যেখানে রয়েছে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত পাঁচজন।
বজলুল হুদা, মহিউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও এ কে এম মহিউদ্দিন এ পাঁচ আসামির জন্য আলাদা পাঁচটি পরোয়ানা পূরণ করা হয়, যাতে আসামির নাম-ঠিকানা রয়েছে।
পরোয়ানার সঙ্গে আপিল বিভাগের রায়ের অনুলিপি, হাই কোর্টের ডেথ রেফারেন্সের অনুলিপি এবং আসামিদের আপিল আবেদনের অনুলিপিও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালতের কর্মচারি কমল কৃষ্ণ পাল ও মোহাম্মদ হোসেন পরোয়ানা নিয়ে পুলিশ পাহারায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুপুর আড়াইটার দিকে গাড়িতে চড়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পথে রওনা হন।
বেলা ৩টায় কারাগারের বাইরে কমল কৃষ্ণ পাল সাংবাদিকদের বলেন, উপ কারারক্ষক মো. মাসুদুর রহমান মৃত্যু পরোয়ানা গ্রহণ করেছেন।
ওই সময় কারাগারের সামনে কড়া নিরাপত্তা ছিলো।
গত ১৭ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের বিশেষ বেঞ্চের পাঁচ বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলাম, বিচারপতি মো. আবদুল আজিজ, বিচারপতি বি কে দাস, বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন ও বিচারপতি এস কে সিনহা ৪১২ পৃষ্ঠার রায়ে স্বাক্ষর করেন।
কিন্তু ডিসেম্বর মাস জজ আদালতে ছুটি থাকায় মৃত্যু পরোয়ানা জারি হয়নি।
আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ গত সপ্তাহে বলেছিলেন, “আইন অনুযায়ী মৃত্যু পরোয়ানা জারির ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যেই রায় কার্যকর করা হবে।”
১৯ নভেম্বর ঐতিহাসিক এক রায়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দি পাঁচ আসামির আপিল খারিজ করে দেয় আপিল বিভাগ।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা ও সৈনিক ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে হানা দিয়ে বেশ কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনসহ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।
ঘটনার ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় গেলে একটি মামলা হয়। মামলায় বিচারিক আদালত ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
আপিলের পর হাইকোর্ট ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। কারাবন্দি পাঁচজন হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে, যা গত ১৯ নভেম্বর খারিজ করে আপিল বিভাগ।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয়জন আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, মোসলেমউদ্দিন, রাশেদ চৌধুরী ও আব্দুল মাজেদ বিদেশে পালিয়ে আছে। তাদের গ্রেপ্তার করতে ইন্টারপোলের পরোয়ানা রয়েছে।
পলাতক অবস্থায় আরেক আসামি আব্দুল আজিজ পাশা জিম্বাবুয়েতে মারা যায়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম
এ সম্পর্কিত খবর
নৌকাডুবি: সুনামগঞ্জে ১৬ জনের সলিল সমাধিনিউজ আওয়াস বিডি:
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ ১৬ জনের সলিল সমাধি হয়েছে। পার্শ্ববর্তী বাজারের লোকজনের তাৎক্ষণিক উদ্ধার তৎপরতায় ট্রলারের অবশিষ্ট ৯০ জন যাত্রী প্রাণে রক্ষা পেলেও এদের মধ্যে আহত হয়েছে প্রায় ৩০ জন।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারের পার্শ্ববর্তী শৈলচাপড়া হাওরে এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।
এরা হলো- [...]
আরও খবর
২১৯০ জনকে নিয়োগ দিতে সুপারিশ করে ২৮তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশঅর্থনীতি
অর্থনীতি সম্পর্কিত খবরচিঠিপত্র
পাঠকের চিঠিআরও সংবাদ শিরোনাম