বিজ্ঞাপন



আর্কাইভ



আবহাওয়া: ঢাকা

আবছায়া 30°C আবছায়া
শনি বৃষ্টির সম্ভাবনা
32/25
রবি ঝড়ের সম্ভাবনা
33/26
সোম বৃষ্টির সম্ভাবনা
34/26

Added on জানুয়ারী ৮, ২০১০

নতুন কৌশলে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতারা: নোট বই বিক্রির দাবি নিয়ে সরকারকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা চলছে

নতুন কৌশলে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতারা: নোট বই বিক্রির দাবি নিয়ে সরকারকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা চলছে thumbnail

নিউজ আওয়ার্স বিডি ডেস্ক: ৮ জানুয়ারি:
নোট বই বিক্রির দাবি নিয়ে সরকারকে বিপাকে ফেলতে নতুন কৌশল নিয়েছে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতারা। তারা নোট বই বিক্রির অনুমতি এবং সহজশর্তে ২০০ কোটি টাকা ঋণের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন। এবার বছরের শুরুতে পাঠ্যবই নিয়ে দেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থীকে জিম্মি করতে না পেরে আন্দোলন করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য প্রকাশকদের নতুন ফন্দি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৮ ডিসেম্বর নোট বই বন্ধে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। আদালত নিষিদ্ধ নোট বই বিক্রি নিষিদ্ধ করলেও এ ইস্যুতে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার নতুন কৌশল হিসেবে ১০ জানুয়ারি সারাদেশে বইয়ের দোকান (লাইব্রেরি) ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট ডেকেছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি। নিষিদ্ধ নোট বই বিক্রির সুযোগ দেয়ার দাবিতে ব্যবসায়ীরা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক প্রকাশক জানান। তারা আরো জানান, মাধ্যমিক স্তরে বিনামূল্যে পাঠ্যবই দেয়ায় প্রকাশকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এজন্য সরকারের কাছে তারা সহজশর্তে ২০০ কোটি টাকার ঋণ দাবি জানিয়েছেন। সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করতে সারাদেশে তারা সংঘবদ্ধ হচ্ছেন বলে জানান।
শিক্ষা বছরের শুরুতে সময়মতো পাঠ্যপুস্তক হাতে না পেয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সরকার এক শ্রেণী অসাধু প্রকাশক, মুদ্রাকর ও বই ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে। কৃত্রিম সঙ্কটকে পুঁজি করে চলে শত কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য। পাঠ্যবইয়ের কৃত্রিম সঙ্কটের সুযোগে নোট ও গাইড বইয়ে বাজার সয়লাব হয়ে যায়। পাঠ্যবইয়ের বিকল্প হিসেবে অভিভাবকরা নোট বই কিনতে বাধ্য হন। গত শিক্ষা বছরেও বইয়ের বাজরের চিত্র ছিল এ রকমই। চার মাস পরও শিক্ষার্থীদের হাতে পুরো সেট বই তুলে দিতে ব্যর্থ হয় সরকার। বইয়ের বাজারকে সিন্ডিকেটমুক্ত করার জন্য সরকার বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে এজন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এবার প্রাথমিক স্তরের মতো মাধ্যমিকেও বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জিম্মিদশার অবসান ঘটে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু থেকেই সরকার নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। তেজগাঁওয়ের এনসিটিবির গুদামে অগ্নিকা- পরিকল্পিত নাশকতা বলে তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে। রিপোর্টে অগ্নিকাণ্ডে অসাধু ব্যবসায়ীদের যোগসাজোশ আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
র‌্যাবের ভোগান্তির ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলা বাজারের এক প্রকাশক বলেন, বছরে দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকার মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই এবং নোট-গাইড বইয়ের বাণিজ্য হতো। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বুক বোর্ডের (এনসিটিবি) বিভিন্ন শ্রেণীর পাঠ্যবই, পাঠ্যবইয়ের নোট-গাইড ও নানা ধরনের সহায়ক বইয়ের কেনাবেচার ওপর বাংলা বাজারসহ সারাদেশের বই বাণিজ্য নির্ভরশীল ছিল। সম্প্রতি উচ্চ আদালত এক রায়ে নোট-গাইড প্রকাশ ও বিক্রি নিষিদ্ধ কপ্রণ। পাশাপাশি চলতি বছর থেকে দেশের প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ দুই কারণে বোর্ড বই ও নোট-গাইড বইয়ের ওপর গড়ে ওঠা বই বাজারে মন্দা শুরু হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সমিতির সভাপতি মো. আবু তাহের বলেন, দেশজুড়ে বইয়ের দোকানিদের পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটরা হয়রানি করছেন। নোট বই আটকের নামে যখন তখন তল্লাশি চালাচ্ছেন। এসব বন্ধের দাবিতে প্রতীকী কর্মসূচি হিসেবে ১০ জানুয়ারি সারাদেশে বইয়ের দোকান বন্ধ রাখার পাশাপাশি পুস্তক ব্যবসায়ীরা নিজ নিজ জেলার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পেশ করবেন। তিনি বলেন, সরকারের বিনামূল্যে বই বিতরণকে তারা স্বাগত জানান। পাশাপাশি সরকারের এ বছর মাধ্যমিক স্তরে বিনামূল্যে পাঠ্যবই দেয়ায় প্রকাশকরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ কারণে প্রকাশকদের সহজশর্তে ২০০ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, অনেকেই নোট-গাইড বই এবং অনুশীলন বইয়ের পার্থক্য জানেন না। তারা অনুশীলন বই বিক্রি করছেন। সম্প্রতি আদালতের রায়ের পর বিভিন্ন জায়গায় নোট-গাইড বই আটক করা হচ্ছে। অনেক পুস্তক ব্যবসায়ীর নামে মামলা দেয়া হয়েছে। সমিতির সভাপতি আরো বলেন, গত বছরও বাংলা বাজারে ব্যবসা জমজমাট ছিল। এখন বিক্রেতারা বই বিক্রি করতে পারছেন না। হঠাৎ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য সহজশর্তে ২০০ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা চাচ্ছেন।
সুত্র: যায়যায়দিন









এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ


সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম

এ সম্পর্কিত খবর

ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধ thumbnail ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধ

নিউজ আওয়াস বিডি: সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আজ বাংলাদেশ টেলিকমিনিউকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও ম্যাংগো টেলি সার্ভিসেসকে চিঠি দিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানই ইন্টারনেট গেটওয়ে। বিটিসিএল, ম্যাংগো ও ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন এ [...]

আরও খবর

বিএনপি’র হরতালে জোটের দুই শরিকের সমর্থন thumbnail বিএনপি’র হরতালে জোটের দুই শরিকের সমর্থন

অর্থনীতি

অর্থনীতি অর্থনীতি সম্পর্কিত খবর

চিঠিপত্র

চিঠিপত্র পাঠকের চিঠি

আরও সংবাদ শিরোনাম