বিজ্ঞাপন
আর্কাইভ
আবহাওয়া: ঢাকা



Added on ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১০
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা টহল বাড়াতে ইতালির হেলিকপ্টার প্রস্তুতকারক কোম্পানি অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ডের কাছ থেকে দুটি হেলিকপ্টার কেনা হচ্ছে। এ হেলিকপ্টার দুটি এ ডাব্লুউ-১০৯ মডেলের। সমুদ্রসীমায় বিদেশি জাহাজের অনুপ্রবেশ পর্যবেক্ষনে নৌবাহিনীর ক্ষমতা বাড়াতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এ দুটি হেলিকপ্টার কেনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সামরিক ক্রয়সংক্রান্ত বিভাগ ও অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ডের একটি চুক্তি হয়েছে।
নৌবাহিনী সূত্র জানায়, অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার দুটি আগামী বছর বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে। একইসঙ্গে হেলিকপ্টার পরিচালনায় ক্রু এবং রক্ষণা-বেক্ষণের জন্য ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেবে। আট সিটের এ হেলিকপ্টারটি সমুদ্রসীমায় টহলের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি ছোট নৌ জাহাজ থেকেও উড়তে পারে। এ ধরনের হেলিকপ্টার বিশ্বের ৫০ দেশে বিক্রি করেছে অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড।
সূত্র জানায়, হেলিকপ্টার দুটি নৌবাহিনীর সবচেয়ে আধুনিক ফ্রিগেট বিএনএস বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সংযোজন হবে। এ হেলিকপ্টারে টহল দেয়ার সময় সমুদ্রের পানির নিচে শত্রুপক্ষের কোনো সাবমেরিন চলাচল করলে সেটাও দেখা যাবে। নৌজাহাজ থেকে উড়ে চারদিকে প্রায় একশ মাইল পর্যন্ত টহল দিতে পারে এ ধরনের হেলিকপ্টার। এছাড়া গভীর সমুদ্র কোনো ডুবন্ত জাহাজ উদ্ধারে এবং ট্রলারডুবিতে জেলেদের উদ্ধার কাজে দ্রুত ব্যবহার করা যাবে। বর্তমানে বিমানবাহিনীর যে হেলিকপ্টার আছে তা সমুদ্র উপকূল থেকে ১০ মাইল পর্যন্ত টহল দেয়া সম্ভব। সমুদ্রসীমায় নিয়মিত টহল দিতে নৌজাহাজ ও হেলিকপ্টারের পাশাপাশি সাবমেরিন সংযোজনের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার নৌবাহিনীর ক্ষমতা বাড়াতে অত্যাধুনিক ফ্রিগেট বিএনএস বঙ্গবন্ধু কিনেছিল। এতে দুটি হেলিকপ্টার বহনের ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু ২০০২ সালে জোট সরকার বিএনএস বঙ্গবন্ধু ক্রয়ে দুর্নীতি অভিযোগ এনে মামলা করে। তখন থেকেই এটার চলাচল বন্ধ ছিল। এ কারণে হেলিকপ্টারও কেনা হয়নি। কিন্তু নৌবাহিনীর অন্য জাহাজের মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক হচ্ছে বিএনএস বঙ্গবন্ধু। নৌবাহিনীর বাকি যে ৪টি জাহাজ রয়েছে সেগুলো ১৯৬০ সালে তৈরি।
অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব ও সমুদ্রসীমা আইন বিশেষজ্ঞ কমোডর (অব.) মো. খুরশিদ আলম বলেন, এদেশের বিশাল সমুদ্র এলাকা এখনো অরক্ষিত রয়েছে। নৌবাহিনীর প্রয়োজনীয় লোকবল ও জাহাজ না থাকায় এসব এলাকায় টহল দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া ভারত ও মিয়ানমারের নৌবাহিনীর মতো বাংলাদেশের নৌবাহিনী শক্তিশালী নয়। প্রয়োজনীয় সামর্থ্য না থাকায় দাবিকৃত সাড়ে তিনশ’ মাইল দক্ষিণে অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকা টহল দেয়া সম্ভব হয় না। এ বিশাল এলাকায় কারা কিভাবে ঢুকে পড়ছে তাও অনেক সময় জানা যায় না। তাছাড়া নৌবাহিনী শক্তিশালী না হলে এসব এলাকা নিরাপদ রাখাও কঠিন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম
এ সম্পর্কিত খবর
ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধনিউজ আওয়াস বিডি: সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আজ বাংলাদেশ টেলিকমিনিউকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও ম্যাংগো টেলি সার্ভিসেসকে চিঠি দিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানই ইন্টারনেট গেটওয়ে। বিটিসিএল, ম্যাংগো ও ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন এ [...]
আরও খবর
বিএনপি’র হরতালে জোটের দুই শরিকের সমর্থনঅর্থনীতি
অর্থনীতি সম্পর্কিত খবরচিঠিপত্র
পাঠকের চিঠিআরও সংবাদ শিরোনাম